রুবাইয়াত-ই-মাহির ১
রুবাই-১ জোছনা রাতে পাহাড়ে লুকোয় শশী চকোর খুঁজে তারে সারা দিবা নিশি, গিরিজলের শব্দ স্রোতে ভাসে পদ্ম দুপুর রাতে শিকারে কাব্যের বরশী। রুবাই-২...
Assalamualikum...Welcome to my digital space! I am T H Mahir, also known as টি এইচ মাহির , a versatile writer and passionate tech enthusiast. With a background in journalism and a fervor for all things tech, I have dedicated my career to exploring and sharing the wonders of the ever-evolving world of technology. Who Am I? I am a prolific writer contributing to various national daily newspapers, monthly magazines and science publications. My work spans a wide range of genres, including poetry, articles, and captivating stories. I am known for my ability to communicate complex technological concepts in a way that's accessible to everyone, ensuring that readers can embark on their tech journeys with confidence. Thank you for visiting my portfolio, and I look forward to sharing the world of words and tech with you.
A deep passion for words, blending creativity with informative journalism to craft stories that engage and inspire.
Crafting well-researched, informative, and engaging articles on various subjects for print and digital media.
Writing in-depth, captivating feature stories that highlight human interests, contemporary trends, and real-life events.
Exploring the latest technological trends, innovations, and gadgets to write comprehensive tech-focused features.
Connecting with the readers through compelling narratives, aesthetic expressions, and engaging storytelling.
Expressing thoughts and emotions through imaginative literary pieces, including poetry and short stories.
Delivering high-quality content on editor-assigned topics and refining drafts with precise proofreading and editing.
আমার লেখা বিভিন্ন ব্লগ পড়তে পারেন।
জোছনা রাতে পাহাড়ে লুকোয় শশী
চকোর খুঁজে তারে সারা দিবা নিশি,
গিরিজলের শব্দ স্রোতে ভাসে পদ্ম
দুপুর রাতে শিকারে কাব্যের বরশী।
রুবাই-২
মর্মর পাতার ধ্বনি,ঝর্ণা সরোবরে পানি
তৃষাতুর কালকূট ছোটে ঠাঁয় স্থির কানি,
যে যার জীবনে ব্যস্ত,দায়িত্ব তাদের ন্যস্ত
জলের স্রোতে ভেসে যায় নম্র চিত্তখানি।
রুবাই-৩
ঢেউ আসুক তটে,খরারূপ মাঠে
সভ্যতার সংঘাত বসুমতী ঘাটে।
গাফ্ফার তিনি নকশা কষেন
হোক তা ছোট্ট কিংবা বৃহৎ কীটে।
রুবাই-৪
সত্য লুকিয়ে ফেলে সাদা কালো
ছায়া ঢেকে দেয় চাঁদের আলো।
দূত দিবে সেলাম,আলো পেলাম
মন্দকে গুড়িয়ে ডাক দেয় ভালো।
রুবাই-৫
মাঝরাতে ডাকে তাকে অচিন কায়া
হাতছানি দেয় মন্দপুরের দ্বন্দ্ব ছায়া।
প্রঙক্তি আসে আরশ হতে ভক্তির,
কেটে যাবে ভুল,নিভবে অসৎ মায়া।
রুবাই-১ জোছনা রাতে পাহাড়ে লুকোয় শশী চকোর খুঁজে তারে সারা দিবা নিশি, গিরিজলের শব্দ স্রোতে ভাসে পদ্ম দুপুর রাতে শিকারে কাব্যের বরশী। রুবাই-২...
বালুচর
নিস্তব্ধ প্রান্তর
সাদা মেঘের ভেলা
শিশু কিশোররের দুরন্ত উচ্ছাস,
খেলাঘর।
[২]
শীতকাল
ঘাসফুলে শিশির,
কুয়াশা ভোরের পিঠা,
রুক্ষতায় বৃক্ষের মর্মর পাতা,
কুটুমপাল।
[৩]
জোছনা
অতৃপ্ত চকোর
চন্দ্রিমায় ডুববে বলে
কাব্য রসনায় তৃপ্ত হবে,
ঝরণা।
[সিনকয়েন:একটি সিনকয়েন কবিতা একটি ক্লাসিক কাব্যিক ফর্ম যা পাঁচ লাইনের ধরণ ব্যবহার করে। এই কাব্যিক রূপটি জাপানি হাইকু এবং টঙ্কার কাব্যিক রূপ থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছে।]
[১] বালুচর নিস্তব্ধ প্রান্তর সাদা মেঘের ভেলা শিশু কিশোররের দুরন্ত উচ্ছাস, খেলাঘর। [২] শীতকাল ঘাসফুলে শিশির, কুয়াশা ভোরের পিঠা, রুক্ষতায় বৃ...
১. StayFocusd (স্টে-ফোকাসড)
ওয়েবসাইট লিংক:
২. Weava Highlighter (উইভা হাইলাইটার)
ওয়েবসাইট লিংক:
৩. MyBib: Free Citation Generator (মাইবিব)
ওয়েবসাইট লিংক:
৪. Grammarly (গ্রামারলি)
ওয়েবসাইট লিংক:
৫. Momentum (মোমেন্টাম)
ওয়েবসাইট লিংক:
এই এক্সটেনশনগুলো একবার ব্যবহার শুরু করলে ব্রাউজারে আপনার কাজের গতি অনেকটাই পালটে যাবে। আপনার মতে এর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশি দরকারি তা কমেন্টে জানাতে পারেন।
ব্রাউজারে পড়াশোনা বা রিসার্চের কাজ করতে গেলে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রলোভনে মনোযোগ নষ্ট হওয়া খুব সাধারণ ঘটনা। তবে গুগল ক্রোমে কিছু দরকারি এক্সট...
১. VirusTotal (ভাইরাসটোটাল)
ওয়েবসাইট লিংক:
২. Have I Been Pwned (হ্যাভ আই বিন পনড)
ওয়েবসাইট লিংক:
৩. Bitwarden (বিটওয়ার্ডেন)
ওয়েবসাইট লিংক:
৪. uBlock Origin (ইউব্লক অরিজিন)
ওয়েবসাইট লিংক:
৫. ProtonVPN (প্রোটন ভিপিএন)
ওয়েবসাইট লিংক:
সাইবার জগতে শতভাগ নিরাপত্তা বলে কিছু নেই, তবে একটু সচেতনতা এবং সঠিক টুলের ব্যবহার আমাদের অনেক বড় বিপদ থেকে বাঁচাতে পারে। এই টুলগুলোর মধ্যে কোনটি আপনি নতুন জানলেন বা আগে থেকেই ব্যবহার করছেন, তা কমেন্টে জানাতে পারেন।
বর্তমান ডিজিটাল যুগে আমাদের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সবচেয়ে বেশি জরুরি। প্রতিদিন বিভিন্ন লিংকে ক্লিক করা বা নতুন সাইটে অ্যাকাউন...
ফিলিস্তিনি কিশোর
ক্লান্ত পাথর।
•কারো সুখের,
শীতে ঠান্ডা প্রবাহ
কারো দুখের।
•শিশুরা হাসে,
খড়ের মতো ভাসে
মন্দের তাসে।
•সবার ইদ,
কারো কাটে ক্ষুধায়
নেইকো নীদ।
•পথের ধারে,
অনাহারে পথিক
খোদার দ্বারে।
•আসে তুফান
কালবৈশাখী ঝড়
উড়ে সাম্পান।
•ক্ষুধায় জ্বর
শৈশব পথশিশু
পেটে পাথর।
•জলে লহরী
এই বুঝি ভাঙ্গন
ক্লান্ত প্রহরী।
•তপ্ত কিরণ,
মজুর শ্রমিকের
প্রাপ্য হরণ।
•মানব শিশু
কেড়ে নেয় শৈশব
জান্তব পশু।
•যুদ্ধে নিথর, ফিলিস্তিনি কিশোর ক্লান্ত পাথর। •কারো সুখের, শীতে ঠান্ডা প্রবাহ কারো দুখের। •শিশুরা হাসে, খড়ের মতো ভাসে মন্দের তাসে। •...
এই ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে কোনটি আপনার সবচেয়ে বেশি কাজে আসবে বলে মনে করেন তা কমেন্ট করে জানাতে পারেন। ইন্টারনেট জগতের এমন আরও দরকারি টুলস ও টিপস পেতে নিয়মিত ব্লগের সাথেই থাকুন।
ইন্টারনেট এক বিশাল জগত। এখানে এমন অনেক ওয়েবসাইট লুকিয়ে আছে যেগুলো আমাদের দৈনন্দিন কাজকে অনেক সহজ করে দিতে পারে। বিশেষ করে যারা শিক্ষার্থী ...
হেঁয়ালি নাকি নির্ঘাত? ঘোর সংশয়।
মহাকালের রাত,কবেকার অপঘাত?
বৃষ্টি ভেজা রাত,দেখা হলো হঠাত,
কখনো মনের সংঘাত,সংশয়ে আঘাত
কাব্য ভাবনায় ব্যাঘাত,বৃষ্টিস্নাত বিস্ময়
বৃষ্টি ভেজা রাত,দেখা হলো হঠাত,
হেঁয়ালি নাকি নির্ঘাত?ঘোর সংশয়।
হাইকু বয়ে চলে
মুখরা সম।
•ইচ্ছের কাব্য
প্রতি চরণে ভাব
প্রথমা দ্রাব্য।
•কুয়াশা ঘোর
হাইকু কলরব
আসুক ভোর।
•টিনের চাল
টুপটাপ ঝরছে
বরষাকাল।
•এতিম নদী
একেলা বহমান
চন্দ্র অবধি।
•ইলিশ রুই
মাছে ভাতে বাঙালি
ভাজা সবই।
•চঞ্চল মন
ধুক ধুক চলন্ত
অনন্ত ক্ষণ।
•মাঝির নৌকা
ঢেউ তোলা সমুদ্রে,
গগনে একা।
•হিজল বন
কোন সে পাখি ডাকে
লুকোয় মন।
•রহস্য ঘেরা
মহাকালের যাত্রা
ছুটছে কারা?
•হাতে কলম হাইকু বয়ে চলে মুখরা সম। •ইচ্ছের কাব্য প্রতি চরণে ভাব প্রথমা দ্রাব্য। •কুয়াশা ঘোর হাইকু কলরব আসুক ভোর। •টিনের চাল টুপ...
মহা আতঙ্কে ভরা আত্মার
কখনো খুশিতে ভরপুর স্বত্তার।
চোখ কথা বলে রহস্যের,
যেখানে এক সহস্র ধাঁধার সমাহার।
চোখ, কথা বলে দুঃখের
চাহনিতে নেমে আসে আঁধার,
ক্রুরতার আগুনে জ্বলজ্বলে বার্তা
আর কথা বলে সংশয়ের।
চোখ, কথা বলে সত্য মিথ্যার
বার্তা দেয় রহস্যের,
ডুবে থাকা একরাশ ভাবনার,
কথা বলে কবিতার।
চোখ, কথা বলে সাহসের, মহা আতঙ্কে ভরা আত্মার কখনো খুশিতে ভরপুর স্বত্তার। চোখ কথা বলে রহস্যের, যেখানে এক সহস্র ধাঁধার সমাহার। চোখ, কথা বলে দুঃ...
নিত্য নতুন কাব্য,
হউক সভ্য।
•হাইকু কাব্য
পাঁচ সাত মাত্রায়
ভাবনা দ্রাব্য।
•ট্রায়োলেট যে,
অষ্ট পঙতি ভাব,
ভাবনা বাজে।
•সিনকয়েন,
নব্য হাইকুবাদ
কাব্যকয়েন।
•মুখরা কাব্য
মুখশব্দের মিল,
অপূর্ব শ্রাব্য।
•সনেট রীতি,
চৌদ্দ পঙতি কাব্য,
সাহিত্য নীতি।
•বিশাল গাঁথা
মহাকাব্য রচনা
কাব্যের জাঁতা।
•রুবাই ছন্দ
চতুষ্পদী রচনা
জীবনানন্দ।
•সিজো কবিতা
কোরিয় কাব্য রূপ
শব্দে সবিতা।
•রসে পঞ্চমী
লিমেরিক চরণে
লিখবো তুমি।
•আসুক নব্য নিত্য নতুন কাব্য, হউক সভ্য। •হাইকু কাব্য পাঁচ সাত মাত্রায় ভাবনা দ্রাব্য। •ট্রায়োলেট যে, অষ্ট পঙতি ভাব, ভাবনা বাজে। •সিন...
কীভাবে পত্রিকায় লেখা পাঠাবেন? পত্রিকায় মূলত দুটি মাধ্যমে লেখা পাঠানো যায়: ইমেইল এবং ডাকযোগে। বর্তমানে ইমেইলে লেখা পাঠানোই সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ পদ্ধতি।
ইমেইলে পাঠানোর নিয়ম: আপনি চাইলে সরাসরি ইমেইলের বডিতে (Body) আপনার লেখাটি টাইপ করে পাঠাতে পারেন। তবে অনেক পত্রিকা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Word File) ফরম্যাটে লেখা গ্রহণ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। ইমেইল পাঠানোর সময় সাবজেক্ট লাইনে অবশ্যই আপনার লেখার ধরন (যেমন: ছোটগল্প/কবিতা) এবং আপনার নাম উল্লেখ করবেন। লেখার নিচে আপনার নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর যুক্ত করতে ভুলবেন না।
ডাকযোগে পাঠানোর নিয়ম: আপনি চাইলে পরিষ্কার কাগজে লেখা আপনার পাণ্ডুলিপিটি খামে ভরে সরাসরি পত্রিকার কার্যালয়ের ঠিকানায় পাঠাতে পারেন।
লেখা পাঠানোর ঠিকানা কোথায় পাবেন? পত্রিকার যে পাতায় আপনি লেখা পাঠাতে চান (যেমন: সাহিত্যের জন্য সাহিত্য পাতা, প্রযুক্তির জন্য টেক পাতা), সাধারণত সেই পাতার এক কোণায় বা নিচে একটি নির্দিষ্ট ইমেইল বা ডাক ঠিকানা দেওয়া থাকে। আপনি সেই নির্দিষ্ট ইমেইলেই আপনার লেখাটি পাঠাবেন।
সহজ সমাধান: 'পত্রিকাঘর' (Patrikaghar) প্রতিটি পত্রিকার পাতা ঘেঁটে ঘেঁটে ইমেইল ঠিকানা বের করা বেশ সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। লেখকদের এই কাজটিকে একদম সহজ করে দিতে তৈরি করা হয়েছে পত্রিকাঘর (Patrikaghar) ওয়েবসাইট।
এখানে বাংলাদেশের প্রায় সব প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকার বিভিন্ন পাতার ইমেইল ঠিকানা, ই-পেপার এবং যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য এক জায়গায় সাজানো আছে। আপনার পছন্দের পত্রিকায় লেখা পাঠাতে ভিজিট করতে পারেন: Patrikaghar
ছবি: এআই জেনারেটেড
অনেকেই নিজের লেখা কবিতা, গল্প, ছড়া কিংবা প্রবন্ধ জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করতে চান। কিন্তু সঠিক নিয়ম এবং লেখা পাঠানোর ঠিকানা না জানার কা...
শান্ত নদীর জলে,
রূপশ্রী ঠোঁটে।
•শূণ্য দুপুর
ঘুম উধাও চোখে
যেন কর্পূর।
•মন হারাই
উড়ে ঘুড়ি দিগন্তে
যাদু নাটাই।
•ইলিশ ঝোল
সরষের রসনা
মাছের কোল।
•রজনী শেষ
কুয়াশা ডাকা ভোর
পুলকে কেশ।
•নব বসন্ত
কৃষ্ণচূড়া উল্লাস
নীল দিগন্ত।
•রাত গভীর
দু্র্দশা কেটে যায়
প্রভাতে তীর।
•পিরামিড সে,
যে নিশিতে তান্ডব।
নূর সকাশে।
•সাম্পান বাঁকে,
ঢেউ উঠে তরঙ্গে।
রহিম রাখে।
•কুয়াশা নীর,
পিঠাপুলি উৎসব
চিতই ক্ষীর।
•শাপলা ফোটে শান্ত নদীর জলে, রূপশ্রী ঠোঁটে। •শূণ্য দুপুর ঘুম উধাও চোখে যেন কর্পূর। •মন হারাই উড়ে ঘুড়ি দিগন্তে যাদু নাটাই। •ইলিশ ঝোল...
আর প্রফেশনাল আইডিই তৈরির ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে ডেভেলপারদের অন্যতম পছন্দ হলো JetBrains। কিন্তু সমস্যা হল এদের প্রিমিয়াম টুলসগুলোর বার্ষিক সাবস্ক্রিপশন ফি অনেক বেশি। তবে সুখবর হচ্ছে শিক্ষার্থীদের কোডিং যাত্রাকে সহজ করতে JetBrains তাদের সবগুলো প্রিমিয়াম আইডিই সম্পূর্ণ ফ্রিতে দিচ্ছে।
কী কী থাকছে এই ফ্রি এডুকেশনাল প্যাকে? অফিসিয়াল পেইড সাবস্ক্রিপশনে যা যা থাকে, তার সবই আনলকড থাকবে এই প্যাকে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
PyCharm Professional: যারা পাইথন নিয়ে কাজ করেন, বিশেষ করে পাইগেম (Pygame) দিয়ে গেম ডেভেলপমেন্ট বা কনসোল-বেইজড চমৎকার সব প্রজেক্ট তৈরি করতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি এককথায় অনবদ্য। এর স্মার্ট কোড কমপ্লিশন ও ডিবাগিং ফিচার আপনার ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় বাঁচিয়ে দেবে।
IntelliJ IDEA Ultimate: জাভা (Java) বা অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্টের জন্য এটি ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে সেরা এবং শক্তিশালী টুল।
WebStorm: যারা ফ্রন্টএন্ড বা আধুনিক ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (JavaScript, React) নিয়ে কাজ করেন, তাদের জন্য এটি দারুণ অপশন।
CLion ও DataGrip: সি/সি++ (C/C++) কোডারদের জন্য CLion এবং প্রফেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টের জন্য DataGrip থাকছে একদম ফ্রি।
কীভাবে ক্লেইম করবেন এই অফার? এটি ক্লেইম করা খুবই সহজ। আপনার যদি একটি গিটহাব স্টুডেন্ট ডেভেলপার প্যাক (যা নিয়ে আমরা আগের একটি ব্লগে বিস্তারিত কথা বলেছি) থেকে থাকে, তবে সেটি দিয়ে গিটহাব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লগইন করেই সরাসরি লাইসেন্সটি নিয়ে নিতে পারবেন।
আর যদি গিটহাব প্যাক না থাকে, তবে আলাদাভাবেও আবেদন করা যায়:
১. ব্রাউজার থেকে "JetBrains Free Educational Licenses" লিখে সার্চ করে তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে যান।
২. "Apply now" বাটনে ক্লিক করুন।
৩. আপনার ভার্সিটির দেওয়া এডু মেইল (.edu.bd) দিয়ে ফর্মটি পূরণ করুন। এডু মেইল না থাকলে ভার্সিটির স্টুডেন্ট আইডি কার্ড আপলোড করেও ভেরিফাই করা যায়।
৪. ইমেইলে আসা কনফার্মেশন লিংকটি ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন আপনার ফ্রি লাইসেন্স।
সবচেয়ে দারুণ ব্যাপার হলো, যতদিন আপনার শিক্ষাজীবন চলবে ততদিন আপনি এটি রিনিউ করে ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন।
আপনার ফেভারিট প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কোনটি এবং আপনি কোন আইডিই (IDE) ব্যবহার করতে সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।
বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স বা প্রোগ্রামিং নিয়ে পড়াশোনা করছেন, অথচ কোডিংয়ের সময় এরর (Error) বা বাগ (Bug) ফিক্স করতে গিয়ে মাথা খারাপ হয়ন...
তবে আপনার কাছে যদি একটি 'গিটহাব স্টুডেন্ট ডেভেলপার প্যাক' (GitHub Student Developer Pack) থাকে, তাহলে এই চিন্তা একদম ভুলে যান। গিটহাব শিক্ষার্থীদের জন্য এক বছরের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রি ডোমেইন দিচ্ছে। অনেকেই ভাবেন এখান থেকে শুধু একটি নির্দিষ্ট ডোমেইন পাওয়া যায়, কিন্তু আসলে আপনি আপনার পছন্দমতো দারুণ সব এক্সটেনশন বেছে নিতে পারবেন। চলুন ধাপে ধাপে দেখে নিই সম্পূর্ণ ফ্রিতে ডোমেইন নেওয়া এবং সেটআপ করার পুরো প্রক্রিয়াটি।
গিটহাব প্যাকের ড্যাশবোর্ডে (education.github.com/pack) গেলে আপনি মূলত তিনটি দারুণ প্ল্যাটফর্ম থেকে ডোমেইন ক্লেইম করার সুযোগ পাবেন:
১. গিটহাব স্টুডেন্ট প্যাক ড্যাশবোর্ডে লগইন করুন।
২. অফার লিস্ট থেকে আপনার পছন্দের প্রোভাইডার (Namecheap, Name.com বা .TECH) খুঁজে বের করে "Get access by connecting your GitHub account" লিংকে ক্লিক করুন।
৩. আপনাকে সরাসরি তাদের ওয়েবসাইটে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে সার্চ বক্সে আপনার পছন্দের নাম লিখে সার্চ করুন।
৪. নামটি অ্যাভেইলেবল থাকলে সেটি কার্টে অ্যাড করুন। চেকআউট করার সময় দেখবেন গিটহাব প্যাকের কারণে ডোমেইনের দাম $0.00 দেখাচ্ছে।
৫. এবার সেখানে অ্যাকাউন্ট খুলে ফ্রিতেই ডোমেইনটি কিনে নিন।
ডোমেইন সেটআপ করার আগে অনেকেই একটি বিষয় নিয়ে চিন্তায় পড়েন, সাইট সিকিউর (HTTPS) করার জন্য SSL সার্টিফিকেট পাবো কোথায়?
সবচেয়ে দারুণ ব্যাপার হলো, আপনি যদি Vercel, Blogger বা GitHub Pages ব্যবহার করেন তবে ম্যানুয়ালি কোনো SSL সেটআপ করার দরকারই পড়বে না। এই আধুনিক প্ল্যাটফর্মগুলো আপনার কাস্টম ডোমেইনের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রিতে অটোমেটিক SSL প্রোভাইড করে। Namecheap বা Name.com থেকে দেওয়া ফ্রি SSL-টি মূলত সি-প্যানেল (cPanel) বা ভিপিএস (VPS) হোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে কাজে লাগে।
ডোমেইন প্রোভাইডারের ডিফল্ট DNS ব্যবহার না করে ক্লাউডফ্লেয়ার ব্যবহার করা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। এতে সাইটের স্পিড বাড়ে এবং ফ্রি SSL ও সিকিউরিটি পাওয়া যায়।
১. Cloudflare.com-এ একটি ফ্রি অ্যাকাউন্ট খুলুন।
২. ড্যাশবোর্ড থেকে "Add a Site"-এ ক্লিক করে আপনার কেনা নতুন ডোমেইনটির নাম (যেমন: yourname.tech) লিখুন।
৩. প্ল্যান হিসেবে নিচের দিক থেকে Free ($0) সিলেক্ট করে কন্টিনিউ করুন।
৪. ক্লাউডফ্লেয়ার আপনার ডোমেইনের রেকর্ড স্ক্যান করবে। নিচে কন্টিনিউ করলে তারা আপনাকে দুটি Nameserver দেবে (যেমন: amy.ns.cloudflare.com এবং bob.ns.cloudflare.com)।
৫. এবার Namecheap বা Name.com এর ড্যাশবোর্ডে যান। আপনার ডোমেইনের সেটিংসে গিয়ে Nameserver অপশনটি 'Default' থেকে পরিবর্তন করে 'Custom DNS' সিলেক্ট করুন এবং ক্লাউডফ্লেয়ারের দেওয়া নেমসার্ভার দুটি পেস্ট করে সেভ দিন।
ব্যাস! এখন থেকে আপনার ডোমেইনের সমস্ত কন্ট্রোল ক্লাউডফ্লেয়ারের হাতে চলে আসলো।
এখন আপনাকে Namecheap বা Name.com এ আর কোনো কাজ করতে হবে না। আপনি ক্লাউডফ্লেয়ার ড্যাশবোর্ডে গিয়ে DNS > Records এ গিয়ে রেকর্ডগুলো অ্যাড করবেন।
আপনি Namecheap, Name.com বা .TECH যেখান থেকেই ডোমেইন কিনুন না কেন, সেটআপের নিয়ম প্রায় একই। আপনাকে ডোমেইন প্রোভাইডারের ড্যাশবোর্ড থেকে ডোমেইনের পাশে থাকা Manage-এ ক্লিক করে DNS Management বা Advanced DNS সেটিংসে যেতে হবে। এরপর আপনার হোস্টিং প্ল্যাটফর্ম অনুযায়ী নিচের যেকোনো একটি নিয়ম ফলো করুন:
১. ব্লগারে লগইন করে Settings-এ যান। স্ক্রল করে Custom domain-এ ক্লিক করুন।
২. আপনার ডোমেইন নামটি www সহ লিখুন (যেমন: www.yourname.tech) এবং Save দিন।
৩. সাথে সাথেই একটি লাল রঙের এরর মেসেজ আসবে এবং সেখানে গুগলের দুটি CNAME রেকর্ড দেওয়া থাকবে।
৪. এবার আপনার ডোমেইনের Advanced DNS-এ গিয়ে এই দুটি CNAME রেকর্ড অ্যাড করুন। (প্রথমটির Host হবে www এবং Value হবে ghs.google.com, দ্বিতীয়টি ব্লগার থেকে কপি করে বসান)।
৫. ব্লগারে কাস্টম ডোমেইন কাজ করার জন্য গুগলের ৪টি আইপি অ্যাড্রেস যুক্ত করতে হয়। DNS প্যানেলে ৪টি A Record অ্যাড করুন। সবগুলোর Host হবে @ এবং Value গুলো হবে যথাক্রমে:
216.239.32.21
216.239.34.21
216.239.36.21
216.239.38.21
৬. আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করে ব্লগারে ফিরে গিয়ে Save দিন। এরপর ব্লগার সেটিংস থেকে "Redirect domain" এবং "HTTPS availability" অপশন দুটি অন করে দিন। এই অপশনটি অন করলেই গুগল নিজে থেকে আপনার সাইটে ফ্রি SSL বসিয়ে দেবে।
১. Vercel ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার প্রজেক্টে ঢুকে Settings > Domains-এ যান।
২. সেখানে আপনার ডোমেইন নামটি লিখে Add বাটনে ক্লিক করুন।
৩. Vercel আপনাকে কী কী DNS রেকর্ড অ্যাড করতে হবে তা দেখিয়ে দেবে (সাধারণত একটি A Record এবং একটি CNAME)।
৪. ডোমেইনের Advanced DNS-এ গিয়ে Vercel-এর দেওয়া A Record (Host: @, Value: 76.76.21.21) এবং CNAME Record (Host: www, Value: cname.vercel-dns.com) অ্যাড করে দিন। ভার্সেল অটোমেটিকভাবে আপনার সাইটের জন্য Let's Encrypt-এর মাধ্যমে ফ্রি SSL জেনারেট করে দেবে।
১. গিটহাব রিপোজিটরির Settings > Pages-এ যান।
২. Custom domain অপশনে আপনার ডোমেইনটি লিখে Save দিন।
৩. ডোমেইনের Advanced DNS-এ গিয়ে ৪টি A Record অ্যাড করুন। Host হবে @ এবং Value হবে গিটহাবের আইপি: 185.199.108.153, 185.199.109.153, 185.199.110.153, 185.199.111.153।
৪. একটি CNAME Record অ্যাড করুন, Host হবে www এবং Value হবে আপনার গিটহাব পেজের ডিফল্ট লিংক (yourusername.github.io)।
৫. গিটহাব সেটিংসে ফিরে Enforce HTTPS টিক দিয়ে দিন। ব্যাস, আপনার সাইট সিকিউর।
এখন আপনার নিজের নামের একটি প্রফেশনাল ডোমেইন আছে, তা-ও আবার একদম ফ্রিতে। আপনি .me, .tech নাকি .dev কোন ডোমেইনটি নিচ্ছেন? কমেন্ট করে আপনার নতুন ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করতে ভুলবেন না।
একজন ডেভেলপার বা শিক্ষার্থীর নিজের কাজগুলো শোকেস করার জন্য একটি পার্সোনাল পোর্টফোলিও বা ব্লগ সাইট থাকা ভীষণ জরুরি। কিন্তু একটি প্রফেশনাল কাস...
আগের একটি পোস্টে আমরা আলোচনা করেছিলাম কীভাবে 'গিটহাব স্টুডেন্ট প্যাক' দিয়ে ১ বছরের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রি ডোমেইন নেওয়া যায়। আজ আমরা দেখবো সেই ডোমেইনটি ব্যবহার করে বা ডোমেইন ছাড়াই কীভাবে গিটহাব পেজেস (GitHub Pages)-এর মাধ্যমে সারাজীবনের জন্য আপনার ওয়েবসাইটটি সম্পূর্ণ ফ্রিতে হোস্ট বা লাইভ করবেন।
আরও পড়ুন: গিটহাব স্টুডেন্ট ডেভেলপার প্যাকের সুবিধা
গিটহাব পেজেস হলো গিটহাবের নিজস্ব একটি ফ্রি হোস্টিং সার্ভিস। আপনি যদি গিটহাবে আপনার ওয়েবসাইটের কোড (HTML, CSS, JavaScript) আপলোড করে রাখেন, গিটহাব সেই কোডগুলোকে সরাসরি একটি লাইভ ওয়েবসাইটে রূপান্তর করে দেয়। এর জন্য আপনাকে কোনো হোস্টিং প্যানেল বা সার্ভার কিনতে হবে না।
স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট (Static Website) যেমন পার্সোনাল পোর্টফোলিও, প্রজেক্ট ডকুমেন্টেশন, ল্যান্ডিং পেজ বা ছোটখাটো ব্লগের জন্য গিটহাব পেজেস একদম পারফেক্ট।
ধাপ ১: গিটহাবে অ্যাকাউন্ট ও রিপোজিটরি তৈরি প্রথমে github.com-এ গিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট লগইন করুন। এরপর ডানদিকের ওপরের '+' আইকনে ক্লিক করে "New Repository"-তে যান।
ধাপ ২: রিপোজিটরির নামকরণে ম্যাজিক এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। রিপোজিটরির নাম (Repository name) দেওয়ার সময় আপনার গিটহাব ইউজারনেমের সাথে হুবহু মিলিয়ে নাম দিতে হবে।
যেমন আপনার ইউজারনেম যদি হয় mahir123, তাহলে রিপোজিটরির নাম দিতে হবে mahir123.github.io।
এরপর রিপোজিটরিটি 'Public' রেখে "Create repository" বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ ৩: ওয়েবসাইটের কোড আপলোড
এখন আপনার তৈরি করা ওয়েবসাইটের ফাইলগুলো (index.html, style.css ইত্যাদি) এই রিপোজিটরিতে আপলোড বা পুশ (Push) করে দিন। খেয়াল রাখবেন ওয়েবসাইটের মূল ফাইলটির নাম যেন অবশ্যই index.html হয়।
ধাপ ৪: ওয়েবসাইট লাইভ কোড আপলোড করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই আপনার ওয়েবসাইট লাইভ হয়ে যাবে। ব্রাউজারে গিয়ে আপনার রিপোজিটরির নাম (যেমন: yourusername.github.io) লিখে সার্চ করলেই আপনার ওয়েবসাইট দেখতে পাবেন।
আপনার যদি .me বা .tech এর মতো নিজস্ব ডোমেইন থাকে (যা গিটহাব স্টুডেন্ট প্যাক থেকে ফ্রিতে নেওয়া যায়), তবে সেটিও যুক্ত করতে পারবেন। রিপোজিটরির Settings > Pages অপশনে গিয়ে 'Custom domain' বক্সে আপনার ডোমেইনের নাম লিখে সেভ করে দিলেই আপনার ওয়েবসাইটটি প্রফেশনাল ডোমেইনে লাইভ হয়ে যাবে!
কোডিং শেখার শুরুতে নিজের করা প্রথম প্রজেক্ট বা পোর্টফোলিওটি এভাবেই গিটহাবে হোস্ট করে দুনিয়াকে দেখাতে পারেন। আপনি কি আপনার পোর্টফোলিও তৈরি করেছেন? কমেন্টে লিংক শেয়ার করতে পারেন।
একজন ডেভেলপার বা কম্পিউটার সায়েন্সের শিক্ষার্থী হিসেবে নিজের একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট থাকাটা বর্তমানে কতটা জরুরি তা আমরা সবাই জানি। কিন্তু ড...
বেশিরভাগ শিক্ষার্থী মনে করেন, গিটহাব প্যাক মানেই শুধু গিটহাবে 'Pro' ব্যাজ পাওয়া। কিন্তু এর ভেতরে লুকিয়ে আছে হাজারো ডলারের প্রিমিয়াম সব টুলস, যা একদম ফ্রিতে পাওয়া যায়। চলুন জেনে নিই এমন ৫টি লুকায়িত সুবিধা:
১. গিটহাব কোপাইলট (GitHub Copilot) কোডিং করার সময় যদি একজন এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট আপনার ভুল ধরিয়ে দেয় এবং কোড সাজেস্ট করে, তবে কেমন হয়? গিটহাব স্টুডেন্ট প্যাক থাকলে আপনি প্রতি মাসে ১০ ডলার মূল্যের 'গিটহাব কোপাইলট' সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন। পাইথন (Python), সি বা অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজে বড় প্রজেক্ট করার সময় এটি জাদুর মতো কাজ করে।
২. ১২ মাসের জন্য ক্যানভা প্রো (Canva Pro) যেকোনো প্রজেক্টের প্রেজেন্টেশন, লোগো ডিজাইন বা প্রফেশনাল মকআপ তৈরির জন্য ক্যানভা প্রো-এর বিকল্প নেই। গিটহাব প্যাকের মাধ্যমে স্টুডেন্টরা পুরো ১ বছরের জন্য ক্যানভা প্রো-এর প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন একদম ফ্রি পেয়ে যান।
৩. ফ্রি ডোমেইন ও এসএসএল (Free Domain & SSL) নিজের একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট থাকাটা এখন কতটা জরুরি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই প্যাকের মাধ্যমে আপনি Name.com বা Namecheap থেকে ১ বছরের জন্য একটি ফ্রি ডোমেইন (যেমন: .me বা .tech) এবং ফ্রি SSL সার্টিফিকেট পাবেন।
৪. প্রিমিয়াম আইডিই (JetBrains IDEs) যারা পাইথন নিয়ে কাজ করেন, তাদের কাছে PyCharm খুবই পরিচিত নাম। গিটহাব প্যাক থাকলে আপনি JetBrains-এর সব প্রফেশনাল আইডিই (IDE) শিক্ষাজীবন থাকা পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন।
৫. ফ্রি প্রিমিয়াম কোর্স ও লার্নিং (Educative & DataCamp) নতুন কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বা টেকনোলজি শেখার জন্য Educative.io (৬ মাস ফ্রি) এবং DataCamp (৩ মাস ফ্রি)-এর প্রিমিয়াম অ্যাক্সেস পাওয়া যায় এই প্যাকে যা আপনার স্কিলকে আরেক ধাপ এগিয়ে নেবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য 'গিটহাব স্টুডেন্ট ডেভেলপার প্যাক' (GitHub Student Developer Pack) যেন আস্ত এক গুপ্তধন। যাদের কাছে...
তার মনে হচ্ছে কিছু কামড়াতে ইচ্ছে করছে। মনে হচ্ছে শক্ত কিছু কামড়াতে পারলেই ভালো হত। অনেক শক্ত কিছু। বাসায় ফ্রিজ খুলে দেখল কিছু আছে কিনা। কিন্তু ফ্রিজে শক্ত কিছু নেই। নেই বলতে রাতিবের মনের মত কিছু নেই। ফ্রিজে জলপাই আচার ছিল। রাতিব জলপাইয়ের বাইরের অংশ ফেলে দিয়ে শক্ত বিচিগুলোতে ওই দাঁতটা দিয়ে কামড়ে দিল। মনে হল তার কাছে এই শক্ত জিনিস দাঁত দিয়ে ভাঙা কোন ব্যাপারই না। কিন্তু তাতে তার মন ভরল না। তাই এই রাত দুটোর সময়ও বেরিয়ে পরল ঘর থেকে।
এতো রাতে গ্রামে সচরাচর হোটেল বা রেস্টুরেন্ট খোলা থাকে না। কিন্তু রাতিবের যে নেহারি খেতে ইচ্ছে করছে। খুব নলা খেতে ইচ্ছে করছে। ঠিক নেহারির ঝোল কিংবা নলার শ্বাঁশ নয়। নলার হাড্ডিটাই চিবুতে ইচ্ছে করছে। খুব আয়েশ করে হাড্ডি চিবুতে পারলেই যেন শান্ত হবে রাতিব। তাই দ্রুত পথ চলছে সে। চারদিকে ঘুটঘুটে আঁধার। গ্রামের একটি দোকানও খোলা নেই। তাই মফস্বলের দিকে যেতে হবে। গাড়ি না থাকায় হেঁটেই রওনা দিল রাতিব। হাঁটতে হাঁটতে হাইওয়েতে উঠলো সে। অপ্রকৃতিস্থয়ের মতো হাঁটছে। মনে হচ্ছে বাতাসে ভর দিয়ে পথ চলছে। হাড্ডি চাই,তাজা হাড্ডি।মাথার ভেতরে মনে হচ্ছে কেউ এই কথাটাই বারবার বলছে।জনশূণ্য রাস্তায় পথ চলা যেন শেষই হচ্ছে না, এদিকে তার দাঁতের ক্ষিধেটাও যেন বাড়ছে।এমন সময় রাস্তায় দেখা গেল এক মানব মুখ। সাইকেলে করে এদিকেই আসছে। রাতিব হাত দিয়ে ইশারা করলো।যদি সাইকেলে করে মফস্বলের বাজারে নিয়ে যায়। কিন্তু লোকটা এদিকে আসতেই রাতিবের মাথা আরো গরম হয়ে গেল। এ যে রাতিবের ক্লাসমেট আকিল। ছেলেটা রাতিবের মুখ দিয়ে খুব হাসাহাসি করতো। দাঁত নিয়ে খুব ঠাট্টা করতো। মাথায় সেই পুরোনো ঠাট্টাগুলো যেন দাঁতের ক্ষিধে বাড়িয়ে দিল।
দাঁত লুকিয়ে একটা বাঁকা হাসি দিয়ে সাইকেল থামালো রাতিব। আকিল ভয় পেয়ে গেল। জ্বলন্ত দুটি চোখ তাকিয়ে আছে ভীত দুই চোখের দিকে। কিন্তু রাতিবের মনে ক্ষুধা ছাড়া কোনো অনূভূতি কাজ করছে না।সে তার অতিপাকৃত শক্তি দিয়ে খাবলে ধরলো শিকার। তার পর কড়মড় করে একাধিক শব্দ চাপিয়ে গেল ভয়ার্ত আর্তনাদকে।
বারবার জিহবা দিয়ে দাঁতে ঘষা দিচ্ছে রাতিব। বাম পাশের একটা দাঁত বারবার জিহবায় যেন ঠোকা দিচ্ছে।মনে হচ্ছে সুচাঁলো কিছু বিধঁছে। দ্রুত দু পাটি দাঁ...
মরু রসনায় তপ্ত
ধরণী ভষ্ম।
•বৈশাখী ঝড়
ভেঙ্গে ছুঁড়ে চৌচির
পাখির ঘর।
•কাননে বৃষ্টি,
কদম কেয়া জুঁই
অপূর্ব সৃষ্টি।
•বাদল ধারা
মন আজ উতলা
বাঁধন হারা।
•নীল আকাশ,
শরতের শিউলি
অজস্র কাশ।
•নদীর তীর
সফেদ কাশফুল
শুভ্র রোদ্দুর।
•সোনালি ধান,
পৌঢ় হেমন্ত রূপ,
শিশিরে গান।
•শীতের দিন,
শিশির ভেজা ভোর,
রিক্ত জমিন।
•শীতের পিঠা,
ভাপা পুলি চিতই,
খেজুর মিঠা।
•ফুটেছে ফুল,
স্বাগত ঋতুরাজ
কচি মুকুল।
•প্রখর গ্রীষ্ম মরু রসনায় তপ্ত ধরণী ভষ্ম। •বৈশাখী ঝড় ভেঙ্গে ছুঁড়ে চৌচির পাখির ঘর। •কাননে বৃষ্টি, কদম কেয়া জুঁই অপূর্ব সৃষ্টি। •বাদল...
✎মেঘে গর্জন, গুমোট পরিবেশ জলে বর্ষণ। ✎শান্ত বিকেল, শীতল পরিবেশ হাতে আপেল। ✎রাত নিঝুম, জোসনা নিভু নিভু তবু নির্ঘুম...
হ্যালো! আমি টি এইচ মাহির। প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও সাহিত্যের নানা বিষয় নিয়ে লেখালেখি করি। আমার ডিজিটাল স্পেসে আপনাকে স্বাগতম!
ইমেইল সাবস্ক্রাইব করে যুক্ত থাকুন, নতুন লেখা প্রকাশিত হলেই নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে আপনার ইনবক্সে।
Looking for a creative writer or tech journalist for your next project? Send me a message and let's discuss how we can collaborate.
Bangladesh